শিশুর গলায় আটকে আছে লোহার ওয়াশার ১৩ দিন পর জানা গেলো

শিশুর গলায় আটকে আছে লোহার ওয়াশার ১৩ দিন পর জানা গেলো,খেলার সময় অজান্তেই গলায় লোহার-ওয়াশার আটকে যায় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা-উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামের জামাল উদ্দিনের চার বয়সী শিশু ওয়ালিদের। এরপর ১৩ দিন তা তার গলাতেই আটকে থাকে।

 

শিশুর গলায় আটকে আছে লোহার ওয়াশার ১৩ দিন পর জানা গেলো

 

 শিশুর গলায় আটকে আছে লোহার ওয়াশার ১৩ দিন পর জানা গেলো

সোমবার সেই লোহার-ওয়াশারটি অপসারণ করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আল ইমরান জুয়েল।

সোমবার সকালে শিশুটিকে আমার ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। অসুস্থতার কারণে শিশুটির ঘাড় কাত হয়ে পড়েছিল। পরে আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখতে পাই শিশুটির গলার মধ্যে লোহার গোল কিছু একটা আটকে আছে। পরে আমার সহযোগীদের নিয়ে বিনা অস্ত্রোপচারে লোহার- ওয়াশারটি অপসারণ করতে পেরেছি। দীর্ঘ ১৩ দিন শিশুটির গলায় আটকে ছিল এই ওয়াশারটি।

ডা. জুয়েল আরও বলেন, বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে ঘোরাঘুরি করেছেন শিশু ওয়ালিদের পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই শিশুটির গলা থেকে ওয়াশারটি অপসারণ করা হয়েছে। শিশুটি এখন সুস্থ।

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

শিশু ওয়ালিদের চাচাতো ভাই বলেন, আমরা ভাবতেও পারিনি ওয়ালিদের গলার মধ্যে লোহার-ওয়াশার আটকে ছিল। শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ অনেক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছি। কেউ ধরতে পারেনি। লোহার-ওয়াশারটি দেখে আমরা হতবাক হয়ে যাই। সে এখন সুস্থ। স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া করছে।

২৭ রমজান (১৮ এপ্রিল) খেলার সময় সবার অজান্তেই ওয়ালিদের গলায় লোহার-ওয়াশারটি আটকে যায়। সেদিনই গলা ব্যথার কথা জানিয়ে হঠাৎ বমি করতে থাকে। এরপর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে যায় তার। ঈদের পরদিন ওয়ালিদকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসক জানান, তার শিরায় টান লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেই সুস্থ হয়ে যাবে। তখন কিছুটা সুস্থতাবোধ করায় তিনদিন পর সদর হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নেওয়া হয়। এই কদিন পানি ছাড়া কোনো কিছুই খায়নি সে।

 

শিশুর গলায় আটকে আছে লোহার ওয়াশার ১৩ দিন পর জানা গেলো

 

১ thought on “শিশুর গলায় আটকে আছে লোহার ওয়াশার ১৩ দিন পর জানা গেলো”

Leave a Comment